নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের সুবিধার্থে অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
রোববার (১৫ মার্চ) ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রির তৃতীয় দিনে আজ পাওয়া যাচ্ছে আগামী ২৫ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন দুই শিফটে এই টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি। যাত্রীচাপ সামলাতে এবং সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে অঞ্চলভেদে এই ভিন্ন সময়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি রেল ভবনে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় ঈদযাত্রার বিশেষ টিকিট বিক্রির বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৬ মার্চ পাওয়া যাবে ২৬ মার্চের টিকিট, ১৭ মার্চ ২৭ মার্চের, ১৮ মার্চ ২৮ মার্চের এবং ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে ২৯ মার্চের টিকিট। এছাড়া চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের ফিরতি টিকিট বিক্রির সময়সূচি পরবর্তীতে ঘোষণা করবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু কঠোর নিয়মও আরোপ করা হয়েছে। একজন যাত্রী তার এনআইডি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ একবার এবং সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে অগ্রিম কেনা এই টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড করা যাবে না। যারা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন না, তাদের জন্য যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঈদযাত্রায় ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় রোধ এবং কালোবাজারি বন্ধে শতভাগ অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে টিকিট ছাড়ার প্রথম কয়েক মিনিটেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করায় অনেক ক্ষেত্রে সার্ভার ধীরগতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি মিনিটে লাখ লাখ মানুষ টিকিট কাটার চেষ্টা করায় এমনটি হতে পারে, তবে সিস্টেমটি সম্পূর্ণ সচল রয়েছে।










Discussion about this post