Friday, February 20, 2026
No Result
View All Result
Central News Station
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার
No Result
View All Result
Central News Station
No Result
View All Result

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

February 18, 2026
in জাতীয়
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v80), quality = 80

0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন। বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু করার পর এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। গণ অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে।

তবে, কিন্তু রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি উঠলেও এ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তার কাছেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার শপথগ্রহণ করেছেন।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব আসেন। তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে ওই পদে থাকা অবস্থায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার আইনগত সুযোগ নেই।

যে কারণে তিনি যদি পদত্যাগ না করেন কিংবা তাকে অভিশংসন না করা পর্যন্ত নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কেউ শপথ নিতে পারবেন না বলে জানাচ্ছেন সংবিধান বিশ্লেষকরা।

আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, এ নিয়ে সংবিধানেই বলা আছে রাষ্ট্রপতির পদ কীভাবে শূন্য হবে। সুতরাং পদ শূন্য হওয়ার পরই এই নিয়ে কার্যক্রম শুরু করবে নতুন সংসদ।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খুবই সীমিত। যে কারণে রাষ্ট্র ব্যবস্থা সংস্কারের জুলাই সনদে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে বেশ কিছু প্রস্তাবনাও আনা হয়েছে। সেসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বেশ কিছুটা বাড়বে।

তিন কারণে শূন্য হয় রাষ্ট্রপতি পদ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি। সংবিধান অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। সর্বোচ্চ দুই বার দায়িত্ব পালন করতে পারেন তিনি।

যদিও ২০২৪ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে জোরালো আন্দোলন করেছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে অপসারণ কিংবা তার পদত্যাগের ঘটনা ঘটেনি।

তবে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি অপমানিত বোধ করছেন।

সেখানে তিনি বলেছিলেন, আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করছেন, সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসবে। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনাও চলছে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপরই নতুন সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় এক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে না বলেই বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

নতুন সরকার ও সংসদ সদস্যরা দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতির পরিবর্তনের প্রশ্নটি সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন যেভাবে

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার পদে প্রবেশের তারিখ থেকে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।

সংবিধান বিশ্লেষক জাহেদ ইকবাল বলেন, শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণ কিংবা গুরুতর কোনো অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিশংসন জনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এই নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন।

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যের ভোটেই নির্বাচিত হন রাষ্ট্রপতি। এক্ষেত্রে কারও বয়স ৩৫ বছরের কম ও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হলে কেউ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না।

একসময় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিধান ছিল। তবে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরে সেই পদ্ধতি বাতিল হয়।

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, এখন দেশটির রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে।

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেন।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ অবসানের কারণে পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষক কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, এক্ষেত্রে দুইজন সংসদ সদস্যের প্রয়োজন হবে। একজন থাকবেন প্রস্তাবক আরেকজন সমর্থক।

রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী হলে বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ে না।

তফশিল ঘোষণার পর সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজনীয় সময়ে যদি অধিবেশন না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ভোটগ্রহণের কমপক্ষে সাতদিন আগে অধিবেশন আহ্বান করবে।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রশ্ন

বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কতখানি তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।

এক্ষেত্রে বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাষ্ট্রপতির তেমন কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। তাই অনেকেই পদটিকে ‘আলংকারিক’ হিসেবেও আখ্যা দেন। তবে রাজনৈতিক সংকট কিংবা নির্বাচনের সময়ে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি পদের গুরুত্ব বাড়ে। কারণ সংসদ ভেঙে দেওয়া হলে শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসাবে বহাল থাকেন।

সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দুটি ক্ষমতার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। এ ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রপতির কারও পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন নেই এটা আইনে বলা আছে। কিন্তু বাংলাদেশে বিগত সময়ে এই বিষয়গুলোর খুব একটা চর্চা দেখা যায়নি বলেই মনে করেন রাজনৈতিক ও সংবিধান বিশ্লেষকরা।

রাষ্ট্র সংস্কারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঐকমত্য কমিশনের ধারাবাহিক আলোচনার পর জুলাই সনদ প্রস্তুত হয়েছে।

গণভোটের ‘হ্যাঁ’ জয়ের ফলে যে সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বাস্তবায়নের পথ খুলেছে, তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রস্তাব হলো প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কিছুটা কমার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কিছু ক্ষেত্রে বাড়বে।

বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতিকে কাজ করতে হয়। তবে জুলাই সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিতে পারবেন।

আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো কিংবা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরির যে বিষয়গুলো জুলাই সনদে রয়েছে এটার জন্য আগে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।

তার মতে, সংবিধান সংশোধন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়টি এখনো সময় সাপেক্ষ বিষয়। তার আগ পর্যন্ত ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়টি নিশ্চিত হবে না।

সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে শুরু হবে সেটি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। সেই অধিবেশন শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Previous Post

ভেঙে দেওয়া হলো অন্তর্বর্তী সরকার

Next Post

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট

Related Posts

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনতে কী করবে নতুন সরকার, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনতে কী করবে নতুন সরকার, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রাথমিকভাবে সুবিধা পাবেন যারা 
জাতীয়

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রাথমিকভাবে সুবিধা পাবেন যারা 

জনপ্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয়

জনপ্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Next Post
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট

Discussion about this post

Plugin Install : Widget Tab Post needs JNews - View Counter to be installed
  • Trending
  • Comments
  • Latest
৪৪তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৪১৩৬ জন

৪৪তম বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন ৪১৩৬ জন

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনতে কী করবে নতুন সরকার, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনতে কী করবে নতুন সরকার, জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রাথমিকভাবে সুবিধা পাবেন যারা 

ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রাথমিকভাবে সুবিধা পাবেন যারা 

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জনপ্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনপ্রত্যাশা পূরণে দ্রুত ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধান সম্পাদক : কুদরাত -ই-খোদা

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : রুবেল গাজী

ই-মেইল: [email protected]
  • বিদ্যুৎ জ্বালানি
  • আইন ও অপরাধ
  • সাক্ষাৎকার
  • সাহিত্য
  • মতামত
  • অন্যান্য

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার