মাসুদ রানা
বিপিএল শুরু হতে ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। এরই মাঝে একের পর এক নাটকীয়তায় মেতেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। আজকের (বৃহস্পতিবার) সকালটা শুরু হয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে। দুপুর না হতেই নেতিবাচক খবরের শিরোনামে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নানা অব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষোভ জানিয়ে দলীয় অনুশীলন ছেড়ে যান দুই কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও তালহা জুবায়ের।
পরবর্তীতে তারা সিএনজিতে করে মাঠ ত্যাগ করেন। সুজন নোয়াখালীর প্রধান কোচ এবং তালহা বোলিং কোচ। পরবর্তীতে হোটেল থেকে ব্যাগ গুছিয়ে তারা ঢাকা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। কেটে ফেলেছেন বিমানের টিকিটও। তালহা জুবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তালহা জানিয়েছেন, ‘কোনো কিছুই আসলে আমাদের অধীনে নেই, আমরা কোচ হওয়া সত্ত্বেও কিছু জানি না। সুজন ভাইও কিছু জানে না, আমাদের কাছে কোনো কিছুর দায়িত্ব (বুঝিয়ে) দেয়নি। অনুশীলনের কিছু নেই, বল বা স্ট্যাম্প যেটা বলেন মানে রাবারের যে স্ট্যাম্প একটাও নেই। আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করি, কিন্তু এই বিপিএলে দুইদিন ধরে কাজ করতে পারছি না।’
নোয়াখালী ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সময়মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগ নোয়াখালীর এই কোচের, ‘যখন ঢাকায় ছিলাম তখন আমাদের প্র্যাকটিস থাকত ১১টায়, আর বল নিয়ে আসতো ১টার সময় দুই ঘণ্টা পরে। ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বল নিয়ে আমরা অনুশীলন করেছি ঢাকায়। এখানে আমাদের কাছে বল বুঝিয়ে দেবে না, মনে হয় আমরা চুরি করব। আজকে আমরা অনুশীলনে এসেছি, কালকে আমাদের প্রথম ম্যাচ। আজকে বল নিয়ে এসেছে মাত্র তিনটা আর কোন কিছু (প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম) নাই, মানে কোনো কিছুই নাই।’
ফলে সিলেট ছাড়ারও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন সুজন-তালহা। নোয়াখালীর বোলিং কোচ বলেন, ‘সবকিছু ওদের (ফ্র্যাঞ্চাইজি) লোকজন করতেছে, তাহলে আমরা কাজটা করব কীভাবে। আমরা চলে যাচ্ছি, এভাবে আসলে কাজ করার কোনো মানে হয় না। নিজের সম্মানহানি করে কাজ করতে পারব না, আমরা ফ্লাইটের টিকিটও করে ফেলেছি। ব্যাগ গুছিয়ে নিয়েছি, আমিও করব না, সুজন ভাইও করবে না। আর আমরা এখনও পর্যন্ত কোনো পেমেন্ট পাইনি, ডে-এলাউন্স যেটা সেটাও পাইনি। মূলকথা আমাদের হাতে কোনো টাকা-পয়সা আসেনি।’










Discussion about this post