নিজস্ব প্রতিবেদক
সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সংবিধান সংশোধন করে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ আনা যেতে পারে, তবে তার আগে বিদ্যমান সংবিধানে নেই এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
২ মার্চ দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানে সংশোধনী এনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ আনা যেতে পারে। কিন্তু তার আগে সংবিধানে নেই এমন কিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বর্তমানে সংবিধানে এই পরিষদের বিষয়ে কিছু নেই। যারা শপথ নিয়েছেন, সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে অসাংবিধানিক কোনো কিছু আমরা সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।
রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে যে কেউ যেকোনো প্রস্তাব দিতে পারেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনা হতেই পারে, তবে সবকিছু হতে হবে সাংবিধানিক রীতির মধ্যে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান মেনেই রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেবেন। ভাষণ দেওয়ার বিধান একটি সাংবিধানিক রীতি। কেউ যদি রাষ্ট্রপতির ভাষণ না চান, তবে সেটি তাদের কথা বলার অধিকার। কিন্তু সংবিধানে যদি বিধান থাকে, তবে সেটি বাস্তবায়িত হবেই।
সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারা যদি এই প্রস্তাবে রাজি হন, তবে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তাদের মধ্য থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করা হবে।










Discussion about this post