নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
সারা দেশে গণমাধ্যমকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী এবং নারীরা জনসমক্ষে নির্যাতন, হুমকি, হয়রানি ও শারীরিক হামলার শিকার হচ্ছেন, যা মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করে দিচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা জোরদার করার লক্ষ্যে আজ শনিবার ঢাকায় ‘ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন টাস্কফোর্সের’ সদস্যদের সঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি অ্যাডভোকেসী প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
আলোচনায় সদস্যরা সকল অংশীজনের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন এবং নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতির বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, “নির্বাচন পরবর্তী সময়েও আমরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, হামলা, সংখ্যালঘু, আদিবাসীদের ওপরে হামলার ঘটনা দেখছি। আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে এই ঘটনা ঘটছে। তাই, শক্তিশালী আইন ও বিচার প্রতিষ্ঠা করাই হবে নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা। ”
সভায় প্রিয়তা ত্রিপুরা, প্রোগ্রাম অফিসার, ভয়েস, ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান পর্যন্ত মিডিয়া মনিটরিংয়ের তথ্য তুলে ধরে বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা যতদিন প্রতিষ্ঠা না হবে, ততদিন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হবেনা। তাই মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই সাথে মানবাধিকারকর্মী, সংবাদকর্মীসহ সকলেরই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ, অধিকারকর্মী ডালিয়া চাকমা, সারাবান তহুরা, উন্নয়ন পরামর্শক মনজুর রশীদ, শিক্ষাবিদ আফরোজা সোমা ও প্রমুখ।
অংশগ্রহণকারীরা আদিবাসী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, সাম্প্রদায়িক হামলা, সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা এবং রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত বা মিথ্যা মামলা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো আলোকপাত করেন। সদস্যরা সকলেই অধিকার আদায়ের জন্যে সক্রিয় থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।










Discussion about this post