আনোয়ার হোসেন :
তৃণমূল ক্রিকেটকে আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী করার প্রত্যাশা নিয়ে সারা দেশব্যাপী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ২০২৫-২৬ মৌসুম।
এবারের আসরে ৬৪টি জেলার ৮ হাজার ৫শর বেশি ক্রিকেটার অংশ নেবে। এই টুর্নামেন্টে সর্বমোট সাড়ে ৬’শ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম পর্যায়ে জেলা এরপর বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
২০১৫ সাল থেকে স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে প্রাইম ব্যাংক। দেশব্যাপী তরুণ ক্রিকেটের প্রতিভা বিকাশে অবদান রাখছে তারা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন ও পরে প্রতিযোগিতার জার্সি উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম এ. চৌধুরী এবং সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স সৈয়দ রায়হান তারিক।
বিসিবির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং বর্তমান টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং স্কুল ক্রিকেট থেকে উঠে আসা জাতীয় দলের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়।
অনুষ্ঠানে নাজিম এ. চৌধুরী বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট থেকে উঠে আসা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার সর্বোচ্চ পর্যায়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধত্ব করছে। যা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।’
ক্রিকেটের সার্বিক উন্নতিতে তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়নের গুরুত্বের উপর জোর দেন নাজিম এ. চৌধুরি। এই উদ্যোগে প্রাইম ব্যাংক পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।
২০১৫ সালে শুরু হবার পর থেকে এই টুর্নামেন্টে ৩,৫০৭টি স্কুল অংশ নিয়েছে। দেশব্যাপী ৬,১৯৫ ম্যাচে ৭৬,২৩৫ জন ক্রিকেটার অংশ নেয়। যা দেশের বৃহত্তম ক্রিকেট মঞ্চে পরিণত করেছে।
টুর্নামেন্ট আয়োজনের পাশাপাশি, বিসিবির বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের নির্বাচকদের নির্বাচনের ভিত্তিতে সেরা খেলোয়াড়দের বৃত্তি দিয়ে আসছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। এ বছর বৃত্তির সংখ্যা ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২৫ করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের বৃত্তির পরিমানও বাড়ানো হয়েছে। ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।










Discussion about this post