নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসকে সামনে রেখে ২০২৬ এ বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, তথ্যের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে এবার ৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১৫২তম। যা আগেরবার ছিল ১৪৯ তম, যা উদ্বেগজনক বলে মনে করে সাংবাদিক ফ্রন্ট ।
আজ রবিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহবায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদদের ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন -নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারাদেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবী হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৩ সাংবাদিককে হত্যা, প্রায় ১২০০ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাত শতাধিক সাংবাদিকের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল/স্থগিত, অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের দেশত্যাগে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা, অর্ধশত সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব বেআইনিভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ অবস্থায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক হত্যার বিচার, চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহাল, তালাবদ্ধ ডিইউজে ও বিএফইউজে অফিস খুলে দেয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ ফেরত দেয়া, সাংবাদিকদের এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল আদেশ প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ প্রত্যাহার ও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসকে সামনে রেখে ২০২৬ এ বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, তথ্যের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে এবার ৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১৫২তম। যা আগেরবার ছিল ১৪৯ তম, যা উদ্বেগজনক বলে মনে করে সাংবাদিক ফ্রন্ট ।
আজ রবিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহবায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদদের ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন -নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারাদেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবী হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৩ সাংবাদিককে হত্যা, প্রায় ১২০০ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাত শতাধিক সাংবাদিকের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল/স্থগিত, অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের দেশত্যাগে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা, অর্ধশত সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব বেআইনিভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ অবস্থায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক হত্যার বিচার, চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহাল, তালাবদ্ধ ডিইউজে ও বিএফইউজে অফিস খুলে দেয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ ফেরত দেয়া, সাংবাদিকদের এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল আদেশ প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ প্রত্যাহার ও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
৩ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসকে সামনে রেখে ২০২৬ এ বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, তথ্যের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে এবার ৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১৫২তম। যা আগেরবার ছিল ১৪৯ তম, যা উদ্বেগজনক বলে মনে করে সাংবাদিক ফ্রন্ট ।
আজ রবিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহবায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদদের ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন -নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারাদেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবী হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৩ সাংবাদিককে হত্যা, প্রায় ১২০০ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাত শতাধিক সাংবাদিকের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল/স্থগিত, অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের দেশত্যাগে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা, অর্ধশত সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব বেআইনিভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ অবস্থায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক হত্যার বিচার, চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহাল, তালাবদ্ধ ডিইউজে ও বিএফইউজে অফিস খুলে দেয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ ফেরত দেয়া, সাংবাদিকদের এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল আদেশ প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ প্রত্যাহার ও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি দাবি
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসকে সামনে রেখে ২০২৬ এ বৈশ্বিক গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, তথ্যের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা প্রতিষ্ঠান রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে এবার ৩ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১৫২তম। যা আগেরবার ছিল ১৪৯ তম, যা উদ্বেগজনক বলে মনে করে সাংবাদিক ফ্রন্ট ।
আজ রবিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহবায়ক আকতার হোসেন ও সদস্য সচিব শেখ জামাল বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদদের ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন -নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারাদেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবী হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেফতার, ১৩ সাংবাদিককে হত্যা, প্রায় ১২০০ সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেস ক্লাবসহ সাত শতাধিক সাংবাদিকের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল/স্থগিত, অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের দেশত্যাগে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা, অর্ধশত সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব বেআইনিভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ অবস্থায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক হত্যার বিচার, চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহাল, তালাবদ্ধ ডিইউজে ও বিএফইউজে অফিস খুলে দেয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের প্রেসক্লাবের সদস্যপদ ফেরত দেয়া, সাংবাদিকদের এ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল আদেশ প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ প্রত্যাহার ও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।










Discussion about this post