ক্রীড়া প্রতিবেদক :
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ে ফিরেছে নেপাল। বেগম খালেদা জিয়া নারী আইএইচএফ নেশনস ট্রফি (এশিয়া জোন–২)-এ সোমবার মালদ্বীপকে ২৪-১৮ গোলে হারিয়েছে দলটি। নেপালের জয়ে বড় অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন বিমলা তামাং। ক্যারিয়ারে প্রথমবার এই স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বাসও লুকাননি তিনি। অন্যদিকে বিকালের খেলায় শক্তিশালী ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এ জয়ের ফলে ভারত ফাইনালের টিকেট পেল।
ঢাকার পল্টনে শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান। বিরতিতে ১২-১১ গোলে এগিয়ে ছিল নেপাল। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে গতি বাড়িয়ে ব্যবধান বাড়ায় তারা। শেষ পর্যন্ত ছয় গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে হিমালয়ের দেশটি।
নেপালের হয়ে সর্বোচ্চ সাত গোল করেছেন ৯ নম্বর জার্সিধারী বিমলা। কল্পনা ওলি ও উমা রাইয়ের গোল চারটি করে। মালদ্বীপের হয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ গোল করেছেন আইশাত ইবা আহমেদ।
ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়ে আনন্দে আত্মহারা বিমলা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, “ম্যাচটি কিছুটা কঠিন ছিল, তবে দলের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সফল হতে পেরেছি। ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার আমি ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ স্বীকৃতি পেলাম। নিজের অনুভূতির কথা বলে বোঝাতে পারব না, আমি অনেক অনেক আনন্দিত।”
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হারের পর দলের মানসিক অবস্থা নিয়েও কথা বলেছেন বিমলা। পরাজয়ে হতাশা থাকলেও তা দলকে ভেঙে দেয়নি, বরং পরের ম্যাচগুলোতে ভালো করার তাগিদ বাড়িয়েছে বলে জানান তিনি। বিমলার ভাষায়, “প্রথম ম্যাচটি হেরে যাওয়ার পর আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। কিছুটা খারাপ লাগা তো ছিলই, কিন্তু আমাদের মাথায় ছিল সামনে আরও ম্যাচ আছে। সোমবারের ম্যাচ এবং পরের ম্যাচগুলোতে আরও ভালো করতে হবে—এই চিন্তা আমাদের দলকে মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী করেছিল।”
মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে নেপাল। শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে হাসিমুখে বিমলা বলেন, “দেখা যাক, আশা তো সবসময়ই থাকে।”









Discussion about this post