নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইলের মাধ্যমে হুমকির ঘটনায় বারিধারা ও গুলশানের পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আবু খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। চীনা দূতাবাস কর্তৃপক্ষ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তরকে বিষয়টি জানিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে কাউন্টার টেরোরিজম বিষয়টি তদন্ত করছে।
তিনি জানান, আমরা বিষয়টি জানার পর আগের চেয়ে নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। বিশেষ করে চেকপোস্ট, টহল এবং দূতাবাসের সামনে নজরদারি; এগুলো বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের যে কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে, সেগুলোও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আতঙ্কিত না হওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, পুরো কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে কারা হুমকি দিল, কেন দিল, কোন কোন দূতাবাস এই হুমকি পেয়েছে—তা কিছুই আমরা জানি না বা আমাদের লিখিতভাবে কোনও কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটি শোনার পর আমরা আরও এলার্ট হয়েছি।
প্রসঙ্গত, কয়েকটি বিদেশি দূতাবাসে ই-মেইল পাঠিয়ে হুমকি দেয় একটি গোষ্ঠী। বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে দূতাবাসগুলোর প্রতিনিধিদের বৈঠকও হয়। এ ঘটনায় সিটিটিসি তদন্ত শুরু করেছে।
সূত্র জানায়, গত সপ্তাহের শেষ দিকে ই-মেইল পাঠিয়ে বাংলাদেশে অবস্থিত একাধিক দূতাবাসে হুমকি দেওয়া হয়। কোনও গোষ্ঠী আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এসব ই-মেইল পাঠিয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।
ই-মেইলে হুমকির ঘটনায় গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা লিখিত অভিযোগ কেউ করেনি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।










Discussion about this post