বরিশাল প্রতিনিধি
বরিশাল ও ঝালকাঠি বাস শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে বরিশাল-ঝালকাঠি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রুপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে না যাওয়ায় কারণে সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। এতে এক পক্ষ অন্য পক্ষের ওপর চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) ঝালকাঠি শ্রমিক ইউনিয়নের সিদ্ধান্তে অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। সর্বশেষ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে দুই পক্ষ।
এদিকে যাত্রীরা জানান, হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল থেকে রুপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে ঝালোকাঠির উদ্দেশ্যে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি।
যাত্রী মুনসুর হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, আত্মীয়ের জানাজায় যাওয়ার জন্য বের হয়ে দেখি বাস চলছে না। এখন কালিজিরা গিয়ে বাস ধরতে হবে।
ঝালকাঠি শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মতিউর রহমান বলেন, বরিশাল-পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারের বিভিন্ন ধাপে ধাপে বাস প্রবেশ করলেই চাঁদা দিতে হয় এবং তার লোকজন রাত হলেই আমাদের গাড়িতে বসে মাদক সেবন করে। প্রতিবাদ করতে গেলে মারধরের শিকার হতে হয়। রোববার ঝালকাঠি সমিতির দুই শ্রমিককে মারধর করে আহত করেছেন রুপাতলী মালিক ও শ্রমিক সমিতির লোকজন। তার প্রতিকার আমরা এখনও পাইনি। যার কারণে আমরা ঝালকাঠি শ্রমিক ইউনিয়ন কালিজিরা ব্রিজের আগে বরিশাল শহরের প্রবেশমুখে অস্থায়ী স্ট্যান্ড থেকে বাস পরিচালনা করছি। বিষয়টি যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকেই বাস চলাচল করবে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রিশাল-পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষ বৈঠকে বসেছি। ট্রাফিক পুলিশের প্রতিনিধি দলও আলোচনায় আছেন।
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, শত্রুতা থাকায় অনেকে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিতে পারে।










Discussion about this post