নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবার বিস্ফোরক এক পোস্ট করেছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সেখানে দলটির গুপ্ত রাজনীতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তাদের রাজনীতির কৌশলকে ইহুদি স্টাইলের সঙ্গেও তুলনা করেছেন তিনি।
রাকিব লিখেছেন, ইহুদী স্টাইলের অপকৌশলের রাজনীতি করে বিধায় জামায়াত শিবিরকে আলেম সমাজ মোনাফেক হিসেবে আখ্যায়িত করে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ পোস্টটি করেন ছাত্রদল সভাপতি।
সেখানে তিনি লিখেন, বাংলাদেশে আর কোনো গুপ্ত রাজনীতি চলবে না। জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র শিবিরের সবগুলো কমিটি প্রকাশ করতে হবে। আমরা দেখতে চাই, তাদের কয়েক লক্ষ নেতাকর্মীদের কেউ কখনও পারিবারিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সমস্যামুক্ত কি না। তাদের বর্ণনা অনুযায়ী তারা ভিন্ন গ্রহের ফেরেশতা কি না, তা যাচাই বাছাই করার সময় এসেছে।
রাকিব লিখেন, বিএনপি তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীই শুধু নয়, সমর্থকও যদি বাংলাদেশের বাস্তবতার নিরিখে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক নানাবিধ অরাজনৈতিক কোনো সমস্যায় জর্জরিত হয়, সেটা নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মব করা হয়, শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নামে নোংরা ও অশালীন স্লোগান দেওয়া হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক গুজব ছড়ানো হয়, সাথে সাথে সত্য মিথ্যার মিশ্রণে ফটোকার্ড তৈরি করে পুরো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের অপকর্মগুলো শিবির সরাসরি ফেস না করে তাদের বি-টিম এবং সি-টিমকে কাজে লাগায়।’
তিনি লিখেন, অপরপক্ষে, জামায়াত ইসলাম ও ছাত্র শিবির তাদের সমর্থক তো দূরের কথা,তাদের কয়েক লক্ষ একনিষ্ঠ নেতাকর্মীদের পরিচয় যুগের পর যুগ অপ্রকাশিত ও গুপ্ত রেখে তাদের পারিবারিক,সামাজিক, ব্যক্তিগত ইত্যাদি রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হলেও দলীয়ভাবে তার দায় নিতে হচ্ছে না। এ ধরনের ইহুদী স্টাইলের অপকৌশলের রাজনীতি করে বিধায় জামায়াত শিবিরকে আমরা এবং আলেম সমাজ মোনাফেক হিসেবে আখ্যায়িত করে।
ছাত্রদলের সভাপতি আরও লিখেন, এ অবস্থা আর চলতে দেওয়া হবে না। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের গুপ্ত রেখে বিএনপিকে রাজনৈতিক হেয় প্রতিপন্ন করার এ অপকৌশলের রাজনীতি আর চলতে দেওয়া হবে না। অচিরেই এ বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সুরাহা করা হবে।










Discussion about this post