নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতিবছরের মতো এবারও আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও নারী সদস্যদের সম্মানে উপহার প্রদান করা হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আজকের পদক্ষেপ আগামীর ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’।
ডিআরইউর নারীবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ।
তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো আশঙ্কাজনকভাবে কম। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। কর্মস্থলসহ সব ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা যেন আর দেখতে না হয়—সেটাই হোক নারী দিবসের অঙ্গীকার ও প্রত্যয়।
কবি হাসান হাফিজ আরো বলেন, নারী ও শিশুর ওপর যে সহিংসতা চলছে, সেই কালো অধ্যায়ের অবসান আমরা দেখতে চাই। এ জন্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া। এতে আরো বক্তব্য দেন সাবেক নারীবিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী এবং প্রেসেঞ্জারের সিনিয়র রিপোর্টার জাহিদা পারভেজ ছন্দা।
এ ছাড়া র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আকতার হোসেন, সুমন চৌধুরী, মো. মাজাহারুল ইসলাম, ডেইলি সিটিজেন টাইমসের সম্পাদক নাজমুল আহমেদ তৌফিক, এম এ বাকী, এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার মাহফুজা মোসলেহী, আমার দেশ পত্রিকার এমরানা আহমেদ, হরলাল রায় সাগর প্রমুখ।
নারী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে সিনিয়র রিপোর্টার জাহিদা পারভেজ ছন্দা বলেন, বর্তমান সময় শুধু উদযাপনের নয়, বরং নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের সময়। উন্নত সমাজ মানে সব নারীর জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
সভাপতির বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না বলেন, নারীকে দুর্বল ভাবা বন্ধ করতে হবে। তাদের সুযোগ দিতে হবে, অধিকার দিতে হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
তাহলে সমাজ নিজেই বদলে যাবে। সাম্প্রতিক সময়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে সরকারকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। তা না হলে নারীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।










Discussion about this post