আলম আহমদ:
বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় টেকসই বিল্ডিং লেবেলিং সিস্টেম’ এবং এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘দেশবোর্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই), জাতিসংঘ হ্যাবিট্যাট, ইউএনইপি এবং ইউএনওপিএস-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জার্মান সরকারের ‘বিএমজেড’ তহবিল এতে অর্থায়ন করছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআই-এর মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার।
বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় টেকসই বিল্ডিং লেবেলিং সিস্টেম’ এবং এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘দেশবোর্ড’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি উচ্চপর্যায়ের অংশীজন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২০ জুলাই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই), জাতিসংঘ হ্যাবিট্যাট, ইউএনইপি এবং ইউএনওপিএস-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জার্মান সরকারের ‘বিএমজেড’ তহবিল এতে অর্থায়ন করছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা ফেরদৌসী বেগম, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া এবং এইচবিআরআই-এর মহাপরিচালক ড. গিয়াসউদ্দিন হায়দার।
পরবর্তীতে নীতি ও অর্থায়নসংক্রান্ত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল আউয়াল, রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলামসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ডিপিডিসির ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।
আইএফসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আবাসনের চাহিদা সাড়ে ১০ মিলিয়নে পৌঁছাবে। এই বিশাল চাহিদা পরিবেশসম্মত উপায়ে পূরণে ‘এইচবিআরআই-দেশ’ কাঠামোটি ভূমিকা রাখবে। অতিরিক্ত সচিব মোস্তফা ফেরদৌসী বেগম বলেন, “এটি একটি জাতীয় মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্ম, যা সরকারের টেকসই নগর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়িত করবে।”
কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংক, আইএবি, আইইবি, বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালার ভিত্তিতে এই ফ্রেমওয়ার্কের জাতীয় বাস্তবায়ন গাইডলাইন তৈরি করা হবে; যা দেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।










Discussion about this post