নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রাহিম শিলা ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা খন্দকারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের নেতাকর্মীরা।
একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটি থেকে ১০ নেত্রী পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের ১১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তবে কমিটি ঘোষণার পরপরই এতে অনিয়ম, ত্যাগী নেতাদের উপেক্ষা এবং অর্থের বিনিময়ে পদ বণ্টনের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করা নেত্রীদের বাদ দিয়ে কমিটিতে অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি সভাপতির নিজ বাসার গৃহপরিচারিকাকে সাধারণ সম্পাদক করার অভিযোগও উঠেছে।
এর প্রতিবাদে বুধবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন নবগঠিত কমিটির নেত্রীরা। এ সময় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
লিখিত বক্তব্যে নবগঠিত কমিটির সভাপতি শাহীনুর আলম বলেন, ‘দলীয় ত্যাগ ও দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামকে উপেক্ষা করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা মামলা-হামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। এ কারণে আমরা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি।’
তিনি আরও জানান, নবগঠিত কমিটির ১০ জন সদস্য একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেত্রীরা অভিযোগ করেন, অর্থের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি করে তাদের নবাবগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
এ সময় তারা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, মহাসচিবসহ নীতিনির্ধারকদের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে জানতে জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রাহীম শীলার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি বিলকিস চৌধুরী, সিনিয়র সহসভাপতি জোসনা বেগম, সহসভাপতি নিলুফা বেগম, সহসভাপতি সূলভ খান আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দা রুনা ইসলাম, প্রচার সম্পাদক রুমা সুলতানা, সহ-প্রচার সম্পাদক আছিয়া খাতুন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক বীনা আক্তারসহ প্রমুখ।










Discussion about this post