নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পর ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশকে স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরেই দেশে দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিক ধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটে এবং মানুষ ফিরে পায় মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার।
আজ রবিবার দুপুরে ঢাকার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে রাজেন্দ্রপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ। রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্ভীক রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়ার আদর্শ, দেশপ্রেম, সততা ও কর্মনিষ্ঠা আজও জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রেরণার উৎস।
তিনি আরও বলেন, জাতির চরম ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমান দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে। তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের তরুণ, ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।
নিপুণ রায় বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে এক নির্মম সামরিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শহীদ হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর মৃত্যু শুধু একজন রাষ্ট্রপতির মৃত্যু ছিল না; বরং তা ছিল বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ওপর এক গভীর আঘাত।
তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সামিউল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়া, ঢাকা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লা, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সেলিম মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।










Discussion about this post