Monday, April 20, 2026
No Result
View All Result
Central News Station
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার
No Result
View All Result
Central News Station
No Result
View All Result

পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

April 1, 2026
in জাতীয়
পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
0
SHARES
0
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সার্বিকভাবে বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনের বৃহত্তর কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আলাদা দুটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে আধা ঘণ্টা নির্ধারিত ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আজ প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আন্তসংস্থা টাস্কফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান। এই ১১টি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারসহ ১১ ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান আছে।

এর মধ্যে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, এইচ বি এম ইকবাল, সামিট গ্রুপসহ এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবারের সদস্য ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলে’ সংঘটিত অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং এতে চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা প্রতিবছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা)। পাচারকৃত অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ (এমএএলটি) সম্পাদন ও বিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১০টি দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং-চায়না। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। অপর ৭টি দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলার অগ্রগতিও সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অভিযোগগুলোর অনুসন্ধান ও তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নেতৃত্বে এবং বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আদালত এ পর্যন্ত (২৫ মার্চ ’২৬) ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক (সংযুক্ত) ও অবরুদ্ধ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশে ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকার এবং বিদেশে ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ। পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ১৪১টি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫টি মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে এবং ৬টি মামলার রায় হয়েছে।

সম্পূরক প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জানতে চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার একটি নির্বাচিত সত্তা। অতীতে দেখা গেছে, সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের ইচ্ছা, আগ্রহের কারণে দেশের আইনকানুন, নীতিনৈতিকতার তোয়াক্কা না করে, যাকে যে রকম হয়েছে, উঠিয়ে নিয়ে গেছে। যার কাছ থেকে যে রকম মনে হয়েছে, জোর করে কিছু লিখে নিয়ে গেছে।

সংসদ নেতা বলেন, বর্তমান সরকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং প্রচলিত আইন মেনে কাজ করতে চায়। যাতে কোনো মানুষ ন্যায্য আইন থেকে বঞ্চিত না হয়। সে কারণে সরকার আইনগতভাবেই সব প্রক্রিয়া গ্রহণ করবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। যারা দেশের ও জনগণের অর্থ পাচার করেছে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক কথায় যদি বলতে হয় এটি (পাচার হওয়া অর্থ) জনগণের অর্থ। যেহেতু আমরা জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সত্তা, জনগণের প্রতি এবং দেশের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে; খুব স্বাভাবিকভাবেই জনগণের অর্থ ফিরিয়ে এনে দেশ ও জনগণের জন্য ব্যয় করা এই সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কাজেই এ ব্যাপারে যেভাবেই হোক, যে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে জনগণের অর্থ ফেরত আসবে, এই সরকার সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গত ১০ মার্চ দেশের ১৩টি জেলার ৩টি করপোরেশন/ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৩৭ হাজার ৮১৪টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে দেওয়ার কারণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এতে একদিকে যেমন এই সহায়তা সরাসরি পরিবারের সদস্যদের খাদ্য, পুষ্টি, জরুরি চিকিৎসা ও শিক্ষায় ব্যয় হবে, অন্যদিকে ফ্যামিলি কার্ডটি পরিবারে নারীপ্রধানের নামে হওয়ায় পরিবারের সম্পদের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। পরিবার ও সমাজের ওপর নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।

এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ যেসব কার্ড দেওয়া হচ্ছে, তার ইতিবাচক দিক রয়েছে। এতে কত খরচ হবে। এটা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যস্ফীতির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সে ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা কী হবে?

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এ খাতে কত বাজেট, তা এখনই তিনি বলছেন না। পর্যায়ক্রমিকভাবে এগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে প্রতি মাসে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হবে। প্রতিবছরই বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার টাকা ছাপিয়ে এ সহায়তা দিচ্ছে না। কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে না বরং এই টাকা যাদের দেওয়া হবে, সেই সব কৃষক ও নারী নিশ্চয়ই সিঙ্গাপুর বা বিভিন্ন দেশে পাচার করবেন না। এই টাকা স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যয় হবে। এতে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। প্রান্তিক গোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানের উন্নতি হবে।

Previous Post

সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

Next Post

আন্দোলন ছাড়া উপায় নেই: ওয়াকআউটের পর জামায়াত আমির

Related Posts

শিগগিরই ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে: তথ্যমন্ত্রী
জাতীয়

শিগগিরই ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠনের কার্যক্রম শুরু হবে: তথ্যমন্ত্রী

সোমবার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয়

সোমবার বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় কেমন গরম পড়বে জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর
জাতীয়

ঢাকায় কেমন গরম পড়বে জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

Next Post
আন্দোলন ছাড়া উপায় নেই: ওয়াকআউটের পর জামায়াত আমির

আন্দোলন ছাড়া উপায় নেই: ওয়াকআউটের পর জামায়াত আমির

Discussion about this post

Plugin Install : Widget Tab Post needs JNews - View Counter to be installed
  • Trending
  • Comments
  • Latest
অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে: নাহিদ ইসলাম

অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবে: নাহিদ ইসলাম

‘যদি জ্বালানির সংকটই না থাকে, তাহলে এত লম্বা লাইন কেন’

‘যদি জ্বালানির সংকটই না থাকে, তাহলে এত লম্বা লাইন কেন’

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে: জ্বালানি মন্ত্রী

দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চলবে: জ্বালানি মন্ত্রী

এবার ১৭১ জন ক্রীড়াবিদ পেলেন ‘ক্রীড়া কার্ড

এবার ১৭১ জন ক্রীড়াবিদ পেলেন ‘ক্রীড়া কার্ড

এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা

এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা

প্রধান সম্পাদক : কুদরাত -ই-খোদা

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : রুবেল গাজী

ই-মেইল: [email protected]
  • বিদ্যুৎ জ্বালানি
  • আইন ও অপরাধ
  • সাক্ষাৎকার
  • সাহিত্য
  • মতামত
  • অন্যান্য

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থ-বাণিজ্য
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • আইন ও অপরাধ
  • অন্যান্য
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • চাকরি
    • সাহিত্য
    • প্রবাস
    • বিদ্যুৎ জ্বালানি
    • মতামত
    • ধর্ম
    • সাক্ষাৎকার