নুরুল ইসলাম সেলিম, কক্সবাজার:
রামু উত্তর মিঠাছড়িতে সরকারী বিধি /নিষেধ অমান্য করে ভূমিদস্যু মোস্তাফা কামাল, বশির ও শফি উল্লাহ গং এর নেতৃত্বে পাহাড় কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। জায়গার মালিক মৃত ইদ্রিস আলীর একমাত্র কন্যা আকলিমা সুলতানা এ্যানি জানান পিতার মৃত্যুর পরএকমাত্র ওয়ারিশ হিসেবে পৈতৃক সূত্রে উত্তরাধীকার হিসেবে মালিক হওয়ার সুবাদে তিনি উক্ত জমিতে ভোগ দখলে রত আছেন।
পাহাড় কাটার বিষয়ে ভূমিদ্যসু, সন্ত্রাসীদের বাঁধা প্রয়োগ করা হলেও মানছে না। বরং আকলিমা সুলতানা এ্যানি কে প্রানে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। তার পিতা মরহুম ইদ্রিস আলীর মৃত্যু পর থেকে সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত শারীরিক,মানসিক নির্যাতন করে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে জানান। ভূমিদস্যুরা তার অনুপস্হিতির সুযোগে শাশুড়বাড়ীতে থাকার কারণে রামু জোয়ারিয়ানালা উত্তর মিঠাছড়ি (মুরাপাড়া) এলাকার ভুমিদস্যু এলাকার চিহ্নিত, সন্ত্রাসী মোস্তফা গং পাহাড় কেটে গাড়ি যোগে ও পার্শ্ববর্তী পুকুর ও রাস্তায় পাহাড়ের মাটি ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় মহল জানান এই পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং যেকোন মুহুর্তে পাহাড়ের মাটি ভেঙ্গে বড় ধরনে বিপদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামু উত্তর মিঠাছড়ি উত্তরপাড়া,( মুরারপাড়া) এলাকার আকলিমা সুলতানা এ্যানির স্বস্ত দখলীয় বন্দোবস্তী খতিয়ান নং ১ দাগ নং ৬৬৪/১ জায়গায় অনধিকার ও বেআইনি জনতা সংঘটিত করে রাত -দিন পাহাড় নিধন করার মত অপরাধ সংগঠিত করছে।এবং অন্যত্র মাঠে নিয়ে যাচ্ছে। জমির মালিক আরও জানান বর্তমানে আমার নিজস্ব খতিয়ান ভুক্ত জায়গা থেকে এলাকার ভূমিদস্যু, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাস্তান, বেপরোয়া হয়ে পাহাড়ের মাটি কাটার ফলে পাহাড় ধ্বংসে ব্যাপক প্রানহানী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।দীর্ঘদিন আগে সরকার হতে বন্দোবস্তী প্রাপ্ত জমির মালিক তার পিতার জমিতে বসবাস করে আসছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে।
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত দখলীকৃত সম্পত্তিতে আকলিমা সুলতানা এ্যানি অভিযোগে আরও জানান পিতা মরহুম ইদ্রিস আলীর এক মাত্র কন্যা আকলিমা সুলতানা এ্যানি,তার সমামী সাখাওয়াত হোসেন, সাং দুলাহাজারা, চকরিয়া, জানান এলাকার মোস্তফা কামাল( ৩৫) পিতা -নুরুল হক, বশির পিতা -অজ্ঞাত, শফি উল্লাহ, পিতা- আব্দুল্লাহ সর্ব সাং মুরাপাড়া, উত্তর মিঠাছড়ি, নুনাছড়ি, জোয়ারিয়ানালা,রামু। পাহাড়ের মাটি কেটে পরিবেশের যেমন ক্ষতি করছে, তেমনি অন্য দিকে পাহাড়ের মাটি পড়ে আশপাশের ঘরবাড়ি ঝুঁকি পূর্ণ হয়ে পড়ছে। উক্ত বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে মুঠো ফোনে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান। পাহাড় নিধন করা হলে সরকারি ভাবে একটি নিদের্শনা রয়েছে। অথচ সেই আইন মানছে না ভূমিদস্যুরা।
তাই পাহাড় নিধনকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ও আইনের আওতায় এনে ব্যবস্হা গ্রহণ করার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।









Discussion about this post