নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। একই সঙ্গে পোলাওয়ের চাল ও অধিকাংশ শাকসবজির দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সয়াবিন তেলের সংকটের কারণে অনেক ক্রেতা বিকল্প হিসেবে সানফ্লাওয়ার ও রাইস ব্রান তেল কিনছেন। তবে এসব তেলের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।
বিক্রেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে নানা কারণ দেখিয়ে কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এবার গ্যাস সংকটকে কারণ হিসেবে দেখানো হলেও সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বাজারের অস্থিরতাও কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে চালের বাজারে সাধারণ চালের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও গত এক মাসে পোলাওয়ের চালের দাম বেড়েছে। তবে চাল, ডাল, চিনি, আদা, রসুন ও পেঁয়াজের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।
সবজির বাজারেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজি কেজিপ্রতি ৮০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।
ডিমের দামও উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। প্রতি ডজন মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। পাশাপাশি গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে সোনালি মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সরবরাহ সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।










Discussion about this post