নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামীকাল কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছালে রোববার লন্ডনে নেওয়া হবে বেগম জিয়াকে। তবে উনি ফ্লাই করতে পারবেন কি না সেটা চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেবেন।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাদ জুমা রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সংলগ্ন মসজিদের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথাগুলো বলেন। এর আগে মসজিদে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
কোনো ভুল করতে চাই না আমরা: চরমোনাই পীর
সারা দেশে জুমার নামাজের পর মসজিদগুলোতে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়ার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করার জন্যও অনুরোধ করা হয়।
নয়াপল্টনের মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলের অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা।
খালেদা জিয়াকে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসকেরা প্রাণপণে চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, চিকিৎসকরা আশা করছেন আগামীকাল (শনিবার) কাতার থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশে এসে পৌঁছালে রোববার তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের আরও বলেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত এক সপ্তাহ ধরে খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের উচ্চমানের চিকিৎসকেরা তাঁর চিকিৎসা করছেন। তবে এই চিকিৎসা আরও উন্নত হাসপাতালে করা প্রয়োজন বলে সবাই মনে করছেন। সে কারণে তাঁকে ইংল্যান্ডের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকার খালেদা জিয়াকে ছয় বছর কারারুদ্ধ করে রেখেছিল বলেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, এর মধ্যে দুই বছর তাঁকে নির্জন, পুরোনো কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। সবাই সন্দেহ করেন, সেখান থেকেই তাঁর রোগের সূচনা হয়। চিকিৎসার অভাবে তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। করোনার সময় থেকে গত চার বছর তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এরপর তিনি সুস্থ হলেও কিছুদিন আগে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন।
দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার সুস্থতায় দোয়া চেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।










Discussion about this post