ক্রীড়া প্রতিবেদক :
১০ দেশের অংশগ্রহনে আগামি শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ১ম সি এ এস আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬। উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগীতা ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে শুরু হবে। ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, হংকং, কুয়েত, বাহরাইন, জাপান, মীশর, বেলজিয়াম ও বাংলাদেশসহ মোট দশটি দেশের বাঁছাইকরা ২৪ জন বিশ্ব র্যাঙ্কধারী পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগীতা প্রমান করে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে খেলাটি শুধু পুনজন্মই লাভ করেনি বরং স্কোয়াশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত হচ্ছে।
২৯ ডিসেম্বর সোমবার বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন ভবনে এ আয়োজনকে ঘির এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম বারের মতো সেনাপ্রধানের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এই মর্যাদাপূর্ন আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগীতায় বিশ্ব রেঙ্কিং খেলোয়াড়দের মধ্যে ভারতের ভেলাভান সেনথিকুমার রেঙ্কিং ৪৭, পাকিস্তানের মোহাম্মদ ওয়াসিম খান রেঙ্কিং ৭০, মীশরের ইয়াসিন শোয়াদী রেঙ্কিং ৮৫, মালয়েশিয়ার আমিসেনরাজ চন্দ্রআরন রেঙ্কিং ৮০, মালয়েশিয়ার ডানকান লি রেঙ্কিং ৯৫, হংকং-এর চি হিম ওয়াং রেঙ্কিং ৯৭ এবং জাপানের টমোটাকা এনডো রেঙ্কিং ১০৬ ও নওকি হেয়াসি রেঙ্কিং ১৪০ অন্যতম।
সংবাদ সম্মেলনে
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবঃ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মেজর ইমরোজ আহম্মদ (অব:) উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া নির্বাহী কমিটির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিমুল গনিসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, দু’জন বিদেশি কোচ, অন্যান্য অতিথিবৃন্দ, বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকবৃন্দ এবং স্কোয়াশ খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল বলেন, মহিলা দলসহ পর্যপ্ত সংখ্যক খেলোয়াড় ও কোচ তৈরি, নিয়মিত দেশী ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতার আয়োজন, নিজস্ব কমপ্লেক্সে তৈরি, ইত্যাদি দশটি লক্ষ্য নিয়ে তৈরি প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা “ভীষন ২০২৫” বা স্বপ্ন যাত্রা এ বছর শেষ হবে। সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করে নিজস্ব খেলার স্থান বিহীন খুবই সীমিত সম্পদের পাশাপাশি হাজারো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা পর্যপ্ত সংখ্যক নবীন ও শিক্ষিত খেলোয়াড় এবং বিশ্ব মানের কোচ তৈরিসহ স্কোয়াশ খেলায় জাগরণ ঘটাতে পেরেছি। ইতোমধ্যে নিজস্ব একটা স্থান ব্যতীত বাকী নয়টি লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এখন আমাদের আগামীর চ্যালেঞ্জ হ’ল, উন্নয়নের এই ধারা ও মানকে ধরে রেখে তা আগ্রগামী করা।
প্রধান অতিথি স্কোয়াশের কার্যক্রমের উপর আস্থা ও সন্তুষ্টি প্রকাশপূর্বক বলেন প্রধান অতিথি মেজর ইমরোজ স্কোয়াশ খেলার উন্নয়নে বাংলাদেশ অলিম্পিক সর্বাত্মক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি আশা করেন যে অচিরে স্কোয়াশ ফেডারেশনের একটি সমাধান পেয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে ট্রফি উন্মোচনের পাশাপাশি ফেডারেশন দু’জন বিদেশি কোচ ইরানের মোহাসিন জাভেদ এবং পাকিস্তানের আব্দুল বাসেতকে পরিচয় করে দেয় হয়। ফেডারেশন সম্প্রতি স্থগিত হওয়া এস এ গেইমসের পাশাপাশি আগামী ১০/১৫ বছরের টার্গেট নিয়ে গত তিন বছর জুনিয়র স্কোয়াশ খেলোয়াড় (ছেলে ও মেয়ে) তৈরি করেছে।










Discussion about this post