নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববাজারে দিনের শুরুতে পতনের পর সোনার দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন আলোচনার খবরে বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়ায় এই উত্থান দেখা গেছে।
শুক্রবার (১ মে) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট (জিএমটি) পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৪,৬৩৬.৭২ ডলারে দাঁড়ায়। যদিও দিনের শুরুতে দাম কমে ৪,৫৫৯.৪৮ ডলারে নেমে গিয়েছিল। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে এখনো সোনার দাম ১.৬ শতাংশ লোকসানে রয়েছে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্স ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪,৬৪৯.৬০ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার নতুন প্রস্তাব দেওয়ার খবর বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বাড়িয়েছে। এতে মার্কিন ডলার কিছুটা দুর্বল হয়েছে, যা সোনার দাম বাড়াতে সহায়তা করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে তেলের দাম এখনও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি সপ্তাহে সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে এবং কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। ফলে চলতি বছরে সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা অনেকটাই কমে গেছে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। স্পট সিলভার ৩.৪ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৬.২৬ ডলারে, প্ল্যাটিনাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ২,০০২ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে ১,৫৩৭.১২ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
দেশীয় বাজারেও সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।
অন্যদিকে, রুপার দামও অপরিবর্তিত নেই। ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।










Discussion about this post