ক্রীড়া প্রতিবেদক :
কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় গতির লড়াইয়ে পুরুষ ও নারী—দুই বিভাগেই সেরা হয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অ্যাথলেটরা।
শুক্রবার পুরুষদের ১০০ মিটারে ইমরানুর রহমান এবং নারীদের ১০০ মিটারে শিরিন আক্তার জিতেছেন স্বর্ণপদক। অন্যদিকে, অ্যাথলেটদের আবাসন, পুষ্টি ও যাতায়াতের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড় ১০.৫৩ সেকেন্ডে শেষ করে প্রথম হন ইমরানুর রহমান। ১০.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন নৌবাহিনীরই মোহাম্মদ ইসমাইল। ১০.৭৩ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সেনাবাহিনীর তারেক রহমান।
নারীদের ১০০ মিটারে ১২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেন শিরিন আক্তার। দ্বিতীয় হয়েছেন সেনাবাহিনীর শরীফা খাতুন, সময় ১২.২৩ সেকেন্ড। ১২.৩৩ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তৃতীয় হন নৌবাহিনীর সুমাইয়া দেওয়ান।
জয়ের পর নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব সতীর্থ, কোচ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতাকে দিয়েছেন শিরিন। তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রথম স্থান অধিকার করতে পেরে অসাধারণ লাগছে।” তাঁর মতে, কোচ আবদুল্লাহ হেল কাফী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিকেএসপি, অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন ও অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনসহ অনেকের সম্মিলিত সহযোগিতাই এই সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে। এই পারফরম্যান্স সাফ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতেও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছেন তিনি।
এদিকে, অ্যাথলেটদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইমরানুর রহমান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অ্যাথলেটদের থাকা, খাওয়া, পুষ্টি ও যাতায়াতের ব্যয় নিশ্চিত করতে এবার নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জেলা পর্যায় থেকে আরও বেশি অ্যাথলেটকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগও বাড়ানো হচ্ছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, অ্যাথলেটদের জন্য মানসম্মত আবাসন, পুষ্টিকর খাবার ও যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাড়বে এবং নতুন প্রতিভা উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে।










Discussion about this post