আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের দিল্লিতে আটক অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। তবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাকে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নেহা বোরাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে দিপককে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে সিজেপি। দলটির দাবি, তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ কোনো তথ্য দিচ্ছে না।
দিপকের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্বের দায়িত্বে থাকা অজিঙ্কা শিন্ডে এএনআইকে বলেন, দিপককে আটকের আট ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তার অবস্থান সম্পর্কে তারা জানতে পারেননি। তাকে আইনজীবী কিংবা দলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন শিন্ডে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে নির্ধারিত কর্মসূচির আগে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয় অভিজিৎ দিপককে। একই দিন যন্তর মন্তরের কাছ থেকে আটক করা হয় এআইএসএ নেতা নেহা বোরাকে। এর আগে গত ১০ অক্টোবরও তাকে আটক করা হয়েছিল। পরে অবশ্য তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছে। তারা পাঁচ দিনের কারা হেফাজতে রয়েছেন।
নয়াদিল্লিতে ফিরে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ মার্চ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিলেন অভিজিৎ দিপক। শুক্রবার বিকেলে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
তবে কর্মসূচির কয়েক ঘণ্টা আগে দিল্লি পুলিশ সিজেপি নেতাকে নোটিশ পাঠিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন না করার নির্দেশ দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে করোলবাগে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (শারদ পাওয়ার) মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসা থেকে দিপককে আটক করা হয়।










Discussion about this post