প্রবাস ডেস্ক
বিদেশে নতুন জীবন শুরু করা মানুষের জন্য ইউরোপের সবচেয়ে প্রবাসীবান্ধব দেশ ও শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে প্রবাসী ও রিমোট কর্মীদের বীমা প্রতিষ্ঠান উইলিয়াম রাসেল। কর্মসংস্থানের সুযোগ, নিরাপত্তা, অভিবাসীবান্ধব পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রবাসীদের অভিজ্ঞতাসহ কয়েকটি সূচকের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০-এর মধ্যে ৮.৯৪ নম্বর পেয়ে বিশ্বের সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। দেশটিতে বিদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের কর্মসংস্থানের হার ৮৪.২ শতাংশ। সহজ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং সামাজিক আস্থার কারণে আইসল্যান্ড শীর্ষে উঠে এসেছে।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লুক্সেমবার্গ। দেশটির অর্ধেকেরও বেশি বাসিন্দা বিদেশে জন্ম নেওয়া হওয়ায় ব্যাংকিং, আবাসন ও কর্মক্ষেত্র আন্তর্জাতিক বাসিন্দাদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
ইউরোপের আরেক দেশ সুইজারল্যান্ড পঞ্চম, আয়ারল্যান্ড ষষ্ঠ, চেকিয়া অষ্টম, পর্তুগাল নবম এবং অস্ট্রিয়া দশম স্থানে রয়েছে।
]
বিশ্বের সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ দেশের শীর্ষ ১০ তালিকায় রয়েছে— ১. আইসল্যান্ড ২. লুক্সেমবার্গ ৩. নিউজিল্যান্ড ৪. অস্ট্রেলিয়া ৫. সুইজারল্যান্ড ৬. আয়ারল্যান্ড ৭. কলম্বিয়া ৮. চেকিয়া ৯. পর্তুগাল ১০. অস্ট্রিয়া
অন্যদিকে, প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে স্বাগতপূর্ণ শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ। নিরাপত্তা, জীবনমান এবং মানুষের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের কারণে শহরটি প্রথম হয়েছে।
এরপর রয়েছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন, জার্মানির মিউনিখ, চেকিয়ার প্রাগ এবং পোল্যান্ডের ওয়ারশ।
শীর্ষ ১০ শহরের তালিকায় রয়েছে— ১. জুরিখ ২. সিঙ্গাপুর (যৌথ) ২. টোকিও (যৌথ) ৪. কোপেনহেগেন ৫. মিউনিখ ৬. প্রাগ ৭. দুবাই ৮. ওয়ারশ ৯. সিউল ১০. হংকং
প্রতিবেদনটি তৈরিতে ইন্টারন্যাশনসের ‘এক্সপ্যাট ইনসাইডার’ জরিপ, ওইসিডি, বিশ্বব্যাংক, গ্লোবাল পিস ইনডেক্স এবং হেনলি গ্লোবালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষকদের মতে, কোনো দেশে সহজে প্রবেশ করার চেয়ে সেখানে গিয়ে সহজে জীবন গড়ে তোলার সুযোগই প্রবাসীদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: ইউরোনিউজ









Discussion about this post