নিজস্ব প্রতিবেদক
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। বাজারে যে কয়টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে তার চেয়ে বেশি সংখ্যকের দাম কমেছে। এতে এক্সচেঞ্জটির মূল্যসূচকে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। দুটি সূচক বাড়লেও কমেছে শরিয়াহ কোম্পানিগুলোর সূচক। পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়া বেশিরভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মধ্য দিয়ে। তবে দুপুর ১২টার পর ধীরে ধীরে অনেকগুলো সিকিউরিটিজ দাম কমার তালিকায় নাম লেখায়। দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধির তুলনায় দরপতনের তালিকায় স্থান পাওয়া শেয়ার ও ইউনিটগুলোর সংখ্যা বেড়ে যায়।
দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ২০১টির এবং ৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সার্বিকভাবে বেশিরভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমা সত্ত্বেও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস প্রায় ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে নেমেছে।
শরিয়াহ সূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮০৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৩০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৭৬২ পয়েন্টে উঠেছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২০৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৮৮টির এবং ৩৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।










Discussion about this post