ক্রীড়া প্রতিবেদক :
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক ।।
স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সরাসরি উপস্থিতি হয়ে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে দেশের ৬৪ জেলাতেও একযোগে কর্মসূচিটি চালু করা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর আওতায় ফুটবল, ক্রিকেটসহ সাতটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মূলত তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ায় সম্পৃক্ত করা এবং তৃণমূল থেকে প্রতিভা তুলে আনাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া বৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হবে।
তিনি বলেন, গত ৩০ মার্চ তারিখে প্রতিটি খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড় এর মধ্যে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা শুরু হয়েছে এবং আগামী সাত কার্য দিবসে মধ্যে অবশিষ্ট খেলোয়াড়দের এই ভাতা প্রদান করা হবে।
স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে উন্নয়নের নামে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যার প্রতিফলন সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জীর্ণ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম।
অন্যদিকে, বুধবার
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে দোকান বরাদ্দে অনিয়ম, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর।
সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে দোকান বরাদ্দে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র খুঁজে পেয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
স্টেডিয়ামের বরাদ্দকৃত দোকানগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করার সময় প্রতিমন্ত্রী দোকান মালিকদের সাথে সরাসরি কথা বলেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা তাকে জানান যে, তারা প্রতিটি দোকানের জন্য মাসিক ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া প্রদান করছেন।
তবে বিস্ময়কর তথ্য হলো, জেলা স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী প্রতিটি দোকান থেকে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে মাত্র ১,৫০০ টাকা। ভাড়ার বিশাল অংকের এই গরমিল থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সরকারি কোষাগারে নামমাত্র টাকা জমা দিয়ে বাকি বিপুল পরিমাণ অর্থ একটি অসাধু চক্র আত্মসাৎ করছে।










Discussion about this post