মাসুদ রানা
প্রথম দফায় ১২৯ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া ভাতার আওতায় নিয়ে আসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। আজ আরো ১৭১ জনকে এই কর্মসূচিতে যোগ করা হচ্ছে। তাতে সংখ্যাটা দাঁড়াবে ৩০০ জনে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় চালু হওয়া এই কর্মসূচিতে ক্রীড়াবিদদের মাসিক এক লাখ টাকা ভাতা ও বিশেষ কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার জন্য বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে এই অর্থবছরে ৩০০ জনকেই দেওয়া হবে।
আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনে জাতীয় পুরুষ ও নারী ফুটবল দলকে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান করা হবে। ফুটবলারদের সঙ্গে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা জাতীয় নারী হকি দলকে।
প্রথমবার এশিয়ান গেমস বাছাই খেলতে আগামীকাল ইন্দোনেশিয়া যাচ্ছেন মেয়েরা। আন্তর্জাতিক আসরে অভিষেকের আগেই ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে হকির মেয়েদের। এ ছাড়া সদ্য পাকিস্তান থেকে দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বালক দ্বৈতে স্বর্ণজয়ী সিফাত উল্লাহ ও নাজমুল ইসলাম জয় পাবেন স্পোর্টস কার্ড ও এক লাখ টাকা করে নগদ পুরস্কার।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান গতকাল বলেছেন, ‘রবিবার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের আরো ১৭১ জনকে দেওয়া হবে।
এই অর্থবছরে এটা দ্বিতীয় ধাপ, অর্থাৎ আগামী জুন পর্যন্ত আমরা সব মিলিয়ে ৩০০ জনকে দিচ্ছি। যাঁরা এবার কার্ড পাচ্ছেন তাঁরা মাসিক এক লাখ টাকা করে ভাতা পাবেন জুন পর্যন্ত। পারফরম্যান্স অনুসারে নতুন অর্থবছরে তাঁরা থাকবেন বা পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করব এবং সেই সঙ্গে সংখ্যাটা আশা করছি আরো বাড়বে। ৫০০ হয়তো হবে আগামী অর্থবছর থেকে।’










Discussion about this post