আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করার পর পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিশনে হামলা চালিয়েছে একদল বিক্ষোভকারী। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৮ নিহত হয়েছেন।
রোববার (১ মার্চ) পাকিস্তানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইধি ফাউন্ডেশনে বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে। এতে অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ জানান, ছয়টি মরদেহ করাচির সিভিল হাসপাতাল করাচিতে আনা হয়েছে। ইধি জানায়, তাদের অ্যাম্বুলেন্স মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছে।
সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার করাচির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক আযাদ খানের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির বিস্তারিত জানতে চান।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।’ সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া যানজট নিরসনে বিকল্প রুট নির্ধারণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি। লাঞ্জার সতর্ক করে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।
এদিন সকাল ১১টার দিকে করাচি ট্রাফিক পুলিশ জানায়, বিক্ষোভের কারণে সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে মাই কোলাচির দিকে উভয় পাশের সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। নাগরিকদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে মাঠে পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইরান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করার পর করাচিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনিসহ প্রায় দুই শতাধিক ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন; এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজপথে নামেন বিক্ষোভকারীরা।










Discussion about this post