স্বাস্থ্য ডেস্ক
করোনা পরবর্তী সময়ে বেশিরভাগ মানুষই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে পড়েছেন। তবুও বেড়েই চলেছে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে হাড়ের সমস্যাও। কম বয়সীরাও ভুগছেন জয়েন্টের ব্যথায়। এসবের নেপথ্যে রয়েছে সেডেন্টারি লাইফস্টাইল।
দৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত করলে সহজেই এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। সারাদিন শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা, এক স্থানে বসে না থাকা, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মতো ছোট ছোট বিষয়গুলোই সুস্থ থাকার গোপন রহস্য।
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৩০ মিনিট ব্যয় করুন স্বাস্থ্যকর কিছু কাজে। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-
হাইড্রেশন
৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম কমিয়ে দেয় একাধিক রোগের ঝুঁকি। এই দীর্ঘ সময়ে শরীর পানি থেকে দূরে থাকে। তাই ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। ঘুম থেকে উঠেই তাই পানি পান করুন। এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানি পান করতে পারেন। হালকা গরম পানিতে লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন। খালি পেটে চা-কফি একদমই খাবেন না।
স্ট্রেচিং
ঘুম থেকে উঠে মুখ ধোয়া, গোসলের মতো রোজকার কাজগুলো করার আগে একটু স্ট্রেচিং করে নিন। ৫-১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং করলেই চলবে। এতে শরীরে ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে এবং জয়েন্টের স্টিভনেস বা কঠোর ভাব এড়াতে পারবেন। পাশাপাশি শরীরে এনার্জি মিলবে।
রোদে দাঁড়ান
সকালের রোদ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। এটি শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করে। তাই রোজ সকালে অন্তত ১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ান। এই অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি।
এক্সারসাইজ
একদম ওয়ার্কআউট না করলে স্ট্রেচিং করে নিন। আর যদি ফিট থাকতে চান তাহলে সকালবেলাতেই এক্সারসাইজ সেরে নিন। ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সুইমিং করতে পারেন। চাইলে জিমে গিয়েও ঘাম ঝরাতে পারেন। দিনের শুরুতেই ব্যায়াম করলে সারাদিন কাজ করা শক্তি মেলে। মন ভালো থাকে।
দিনের কাজ গুছিয়ে নিন
সারাদিন কী কী করবেন, কী রান্না করবেন, কখন কোথায় যাবেন— সব প্ল্যান সকালে সেরে ফেলুন। এতে সারাদিন যতই ব্যস্ততা থাকুক, সব কাজ সময়মতো করতে পারবেন।










Discussion about this post